চলচ্চিত্র সমালোচনা – মেট্রোপলিস্ (১৯২৭)
মেট্রোপলিস্ – ছায়ার আয়নায় ভাবীকালের ছবি
মহৎ কল্পবিজ্ঞানের উপস্থাপনা শুধুমাত্র তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপরে নয় বরং অন্তর্নিহিত সমাজ–সচেতন, মানবিক বক্তব্যে ফুটে ওঠে। তা সে সাহিত্য, সিনেমা যে মাধ্যমই ধরি না কেন। কালের গর্ভেই এই সৃষ্টির উপাদান মজুদ থাকে। বিংশ শতাব্দীর সূচনাটা ছিল এমন এক ক্রান্তিকাল। সেই সময় বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেমন ক্লাসিকাল পদার্থবিদ্যার [আরো পড়ুন]
Read More
গ্রন্থ সমালোচনা – কপোট্রনিক সুখ দুঃখ
বইঃ কপোট্রনিক সুখ দুঃখ।
লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
প্রকাশকঃ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী।
সমালোচকঃ বিশ্বদীপ দে
বাংলাদেশের মুহম্মদ জাফর ইকবালের কল্পবিজ্ঞানের কাহিনিগুলির সুখ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা এপার বাংলার পাঠকদেরও অজানা নয়। অনেকেই পড়েছেন এবং জানিয়েছেন তাঁদের ভালো লাগার কথা। ফলে পড়ার ইচ্ছে অনেকদিন ধরেই ছিল। এবার সুযোগ হয়ে গেল। হাতে এল লেখকের খুবই পাঠকপ্রিয় [আরো পড়ুন]
Read More
বিবর্তনের মৃত্যুচক্র










Read More
শেষ ট্রেনের যাত্রী








Read More
মঙ্গলগ্রহের মিঃ স্কাইগেক – দ্বিতীয় পর্ব










Read More
ক্যুগেল ব্লিৎস
সন্ধ্যেবেলায় হাওড়া স্টেশনটা একটা সমুদ্রের মতো। এক একটা ট্রেনের গায়ে যেন মানুষের ঢেউ আছড়ে পড়ছে, থার্ডক্লাশ কামরাগুলো প্লাটফর্মে ঢোকবার আগেই ভর্তি হয়ে যায়।
উঁচু ক্লাসের কামরাগুলো ত’ রিজার্ভ করা, সে সব কামরায় হাত দেয় কার সাধ্য। কাজেই লোলুপ নয়নে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর উপায় কি!
অফিসের কাজে কলকাতার বাইরে যাচ্ছি। পরের পয়সায় নবাবী করার এরকম সুযোগ [আরো পড়ুন]
Read More
প্রবাহ প্রহরী
“ক্রিং… ক্রিং…।” কলকাতার উত্তর শহরতলির একদম শেষ প্রান্তে এক প্রাচীন অথচ আশ্চর্য রকম জনবিরল এলাকা। প্রায় পরিত্যক্ত একটা বাড়ির অন্ধকার কোণে এতক্ষণ আত্মগোপন করে থাকা ঘরটা হঠাৎ যেন কোন অদৃশ্য অনুসন্ধিৎসুর সামনে অস্তিত্ব প্রকাশ হয়ে পড়ার একরাশ বিরক্তিতে কর্কশ আস্ফালন করে উঠল। ঘরের একক বাসিন্দা প্রাণীটার অবশ্য কোন ভাবান্তর ঘটল না। [আরো পড়ুন]
Read More
অনন্তের খিলান
প্রথম অধ্যায়
দুয়ারের ভ্রাতৃসঙ্ঘ
“ওই দুয়ার কোথায় পথ দেখায়?”
“চেনাশোনা এই দুনিয়ার কিনারায়”।
“কাহারা শেখান পূর্বজদের দুয়ার খোলার কল?”
“খিলান ওপারে বসত তাদের, কোর নাকো কোলাহল”।
“দান করি মোরা অর্ঘ্য কাদের, বড় ভয় ভীত মনে?”
“ওঁদের, যারা ওধারে থাকেন, তাঁদেরই সম্মানে”।
“খিলানের দ্বার খুলে রাখিবার আছে কি গো প্রয়োজন?”
“থাকিতে দাও অবারিত এ দুয়ার, কেন বৃথা বন্ধন”।
Read More
এন্ড্রামেডার ভাইরাস
রহস্যটা নিশিগন্ধার মনে প্রথম দানা বাঁধে সেলি নামে এক জার্মান সাংবাদিকের সাথে আলাপ হওয়ার পর। সেদিন বিকালে শিকাগোতে তার নতুন অফিস থেকে ফিরে পার্কের এক কোণে বসে ছবি আঁকার সরঞ্জাম বের করে সবে কাগজে আঁচড় কাটতে শুরু করেছিল। কানে হেড-ফোন লাগিয়ে মৃদু যন্ত্রসঙ্গীত শুনতে শুনতে ছবি আঁকা তার বহু দিনের অভ্যাস। এতে কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ অনেকটা [আরো পড়ুন]
Read More
আমার এখন জ্বর এসেছে
কেস নং : ১২১
পার্সোনাল আইডেন্টিটি :
প্রত্যক্ষ : ড. রঞ্জন মিত্র।
পরোক্ষ : শ্রী সুধীর গুহ, শ্রী সঞ্জয় বোস।
চিফ কমপ্লেন : অনিশ্চিত মানসিক ব্যবহার, আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যার প্রচেষ্টা।
পাস্ট মেডিকেল হিস্ট্রি :
পরোক্ষ : নেই/পাওয়া যায় নি।
প্রত্যক্ষ : মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ।
ফ্যামিলি হিস্ট্রি :
পরোক্ষ : মানসিক ব্যাধির লক্ষণ পাওয়া যায় নি।
Read More
ঝুলন্ত সেই লোকটা
ঘুমচোখে সোমনাথ হাতঘড়িটার দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল, প্রায় বিকেল সোয়া চারটে বাজে; বড্ড বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে কাল রাতে। সাহেবগঞ্জ হাইস্কুলের পদার্থবিদ্যার মাস্টার সোমনাথের সখ হল রাত জেগে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বই পড়া। এর জন্যে কত বকুনিই না খেয়েছে বউ স্বপ্নার কাছে, এই চল্লিশ বছর বয়সেও আজও শুনতে হবে মনে হচ্ছে। আসলে কলেজে পড়ার সময় সখ ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞান [আরো পড়ুন]
Read More
বাড়ি
গুজরাটে থাকার সময় বিল্ডার মিরচন্দানি নিজের জীবন নিয়ে একটা ঘটনা আমায় বলেছিলেন। যেহেতু ব্যাপারটার সত্যাসত্য নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, তাই সেটা গল্প হিসেবেই লিখলাম, ওনার বয়ানে।
“বিল্ডাররা যে লাইনটাকে বিজ্ঞাপন হিসেবে সবথেকে বেশি ব্যবহার করে সেটা হল – আপনার স্বপ্নের বাড়ি এবার আপনার সাধ্যের মধ্যে। কিন্তু স্বপ্নের বাড়ি জিনিসটা ঠিক কী?
আমরা সবাই [আরো পড়ুন]
Read More
মাকড়সার জাল
চোখ খুলতেই প্রথম যে জিনিষটা অনুভব করলাম সেটা হল মাথার ঠিক পিছনে একটানা তীব্র যন্ত্রণা। মনে হল যেন চুলের ফাঁক দিয়ে অজস্র আলপিন ফুটছে। ছটফট করার চেষ্টা করলাম কিন্তু হাত পা নড়ল না। শুধু মাথাটা এপাশ ওপাশ করতে লাগলাম।
মিনিট খানেক পর আচমকাই কমে এলো ব্যথাটা। আমি চারপাশটা ভালো করে দেখার চেষ্টা করলাম। কোথায় আমি? উপরে সাদা ছাদ, অর্থাৎ একটা ঘরে শুয়ে আছি আমি, [আরো পড়ুন]
Read More
ভূতগ্রহের বিজ্ঞানীরা
অনেকদিন পর ওভারনাইট জার্নি করছি ট্রেনে। ছোটবেলায় প্রায় প্রতি বছরই দু’রাত্তির ট্রেনে কাটিয়ে মামার বাড়ি যেতাম। ট্রেনের দুলুনি আর আওয়াজে ঘুমটা এখনও আমার বেশ ভালই হয়। তখন তো সবসময় স্লিপারেই চড়তাম, এখন বরং এসির ঠাণ্ডায় আরও জমাটি ঘুম হয়। বরং কোন ষ্টেশন বা সিগন্যালে ট্রেন দাঁড়িয়ে গেলেই ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম নিয়ে এতো কথা বলার কারণ গল্পটা ঘুম নিয়েই।
পত্রিকার [আরো পড়ুন]
Read More
সায়েন্স ফিকশন – সির্দ্ধাথ ঘোষের কলমে
প্রথম পর্ব
একটি পরিভাষার জন্ম
বিশ্বের প্রথম নিছক সায়েন্স ফিকশন বিষয়ক পত্রিকাটি আমেরিকার পত্রিকা বিপণিতে আত্মপ্রকাশ করে ১৯২৬-এর ৫ এপ্রিল। যদিও ‘সায়েন্স ফিকশন’ পরিভাষাটি তখনো তৈরী হয় নি। ‘অ্যামেজিং স্টোরিজ’ নামে এই পত্রিকার সম্পাদক হিউগো গার্নসব্যাক-এর কলমেই তিন বছর পরে পরিভাষাটির জন্ম। ‘অ্যামেজিং স্টোরিজ’–এর প্রবর্তন সূত্রেই প্রকাশনার একটি শাখা ও সাহিত্যের [আরো পড়ুন]
Read More
একটি চৈনিক ঘরের রহস্য
নামটা দেখেই যারা ভাবছেন একটা জমজমাট রহস্য গল্প পাবেন, তারা কিন্তু নিরাশ হবেন না। হ্যাঁ পাঠক, এই লেখাটি কোন রহস্য অ্যাডভেঞ্চার গল্পের থেকে কম রোমাঞ্চকর নয়। এই গল্প এমন এক নতুন জাতির, যারা মানুষের হাতে তৈরি হয়েও আজ মানুষকেই হারিয়ে দিচ্ছে নানা বিষয়ে। অনেকে আশংকা করছেন যে মানবজাতি ধ্বংস হবার কারন হবে এই জাতি। এই লেখার মধ্যে দিয়ে চলুন বোঝার চেষ্টা করি সেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে।
Read More
সম্পাদকীয়
প্রিয় পাঠক, এসে পড়ল কল্পবিশ্বের দ্বিতীয় সংখ্যা।
প্রথমেই জানাই, আমাদের প্রথম সংখ্যা যে এত মানুষের ভালোবাসা পাবে তা সত্যিই অভাবনীয় ছিল আমাদের কাছে। সাধারণ পাঠক থেকে প্রথিতযশা সাহিত্যিকেরা, সকলেই সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন কল্পবিশ্বকে। এই ভালোবাসা ও উৎসাহ নিশ্চিতভাবে বিপুল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে আমাদের। অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে এবার দ্বিতীয় সংখ্যা নিয়ে হাজির আমরা।
Read More
দিলীপ রায়চৌধুরী : কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের ক্ষণিকের অতিথি
In it’s endeavor, science is socialism.
J D Bernal, The Social Function Of Science
মাত্র সাইত্রিঁশ বছর বয়সে একটি কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস, বেশ কয়েকটি সুলিখিত কল্পবিজ্ঞান গল্প, প্রেমেন্দ্র মিত্র সত্যজিত রায় অদ্রীশ বর্ধনের সঙ্গে যৌথভাবে লিখিত একটি কল্পবিজ্ঞান বারোয়ারি গল্পে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ, গুণী স্ত্রী ও দুটি প্রায় দুধের শিশু ফেলে রেখে দিলীপ রায়চৌধুরী এই দুনিয়া থেকে সরে পড়েন।
এই ব্যক্তির জীবনী [আরো পড়ুন]
Read More
কল্পবিজ্ঞানের আড্ডায় – অনীশ দেব ও সৈকত মুখোপাধ্যায়ের মুখোমুখি
এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের এক নিরিবিলি দুপুরে কল্পবিশ্বের তিন সদস্য দীপ ঘোষ, বিশ্বদীপ দে ও সুপ্রিয় দাস মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলা কল্পবিজ্ঞানের দুই প্রথিতযশা সাহিত্যিক অনীশ দেব ও সৈকত মুখোপাধ্যায়ের। সঙ্গে ছিলেন কল্পবিজ্ঞানের আরেক মনোযোগী পাঠক শৌভিক চক্রবর্তী। আড্ডার মধ্যে দিয়ে কোথা দিয়ে যে কেটে গেল অনেকটা সময়, বোঝাই গেল না। কেমন করে নতুনরা [আরো পড়ুন]
Read More
এক ঝুড়ি কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক
প্রথম বারের “কুড়ি শব্দের কল্পবিজ্ঞান” উৎসবে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত হয়েছিলাম। সেই ধারা বজায় রাখতে আমরা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে নিয়ে এসেছিলাম আরও একটি ইভেন্ট “কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক উৎসব”। উৎসাহী বন্ধুদের সৌজন্যে আমরা পেয়েছিলাম ৩৫টিরও বেশি লিমেরিক। সেখান থেকে নির্বাচিত এক ঝুড়ি লিমেরিক আমরা সাজিয়ে দিলাম আমাদের কল্পবিশ্বের দ্বিতীয় সংখ্যায়।
অরুণাচল [আরো পড়ুন]
Read More
মানুষেরই মতো
(১)
আধো ঘুম অবস্থাটা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে যুধিষ্ঠিরের। মাথাটাও আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে আসছে। ঘরের চারপাশটা এতক্ষণে স্পষ্ট হয়ে এসেছে। ঘরটা ছোটো, কোনো জানালা নেই। সে শুয়ে আছে ঘরের একদম মাঝখানে একটা ছোট ধাতব টেবিলে। এই টেবিল ছাড়া ঘরে আর কোনো আসবাব নেই। ঘরের একদিকের দেওয়ালে একটা ডিসপ্লে প্যানেলে নানা রকম সংখ্যা ফুটে উঠছে। যেরকম হাসপাতালে [আরো পড়ুন]
Read More
ইয়ুথ খামার
বিশ্বাস কি করবি কথা? আমরা সবাই এক!
সাম্যবাদের উদাহরণ এই আমাদের দ্যাখ!
সবাই মিলে মজুর খাটি মাঠে বা কারখানায়,
কেউ বা পণ্য বিক্রি করে, কেউ বা সেসব বানায়।
এক টেবিলেই সঙ্গে বসে একই খাবার খাই,
সুখ সুবিধা ভাগ করে নিই, কীই বা আবার চাই!
তোদের যত কূটকচালি, মালিক শ্রমিক ভেদ,
[আরো পড়ুন]
Read More
কুইজ – ৮
১) বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ‘রোডসাইড পিকনিক’ এর ছায়া অবলম্বনে কোন কাল্ট সোভিয়েত ছবি নির্মিত হয়েছিল?
২) অ্যালডাস হাক্সলির লেখা বিখ্যাত উপন্যাস ‘ব্রেভ নিউ ওয়র্ল্ড’ এর ঘটনাকাল 2450 A.F., এখানে A.F. বলতে কি বোঝান হয়েছে?
৩) লেখক রবার্ট হেইনলিন তাঁর উপন্যাস “স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড” উপন্যাসে কল্পবিজ্ঞানের বহুল প্ৰচলিত কোন স্ল্যাং প্রথম ব্যবহার করেছিলেন?
Read More
কল্পবিশ্ব রাশিয়ান সংখ্যা – কিছু ভাবনা
২৬ বছর হয়ে গেল ভেঙে গেছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। বন্ধ হয়ে গেছে প্রগতি প্রকাশন, রাদুগা প্রকাশন ও মীর প্রকাশন। মস্কো বা তাসকেন্দ থেকে আর কোনো রুশী বইয়ের বাংলা অনুবাদ ছাপা হয় না। অন্য সব সোভিয়েত গল্প, নাটক বা কবিতার বইয়ের মতোই সোভিয়েত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির বইয়ের প্রামাণ্য বাংলা অনুবাদ পড়তে পাওয়ার আশাও তাই ছাব্বিশ বাও জলের তলায়। রুশভাষাবিদ বাংলা গল্পদাদুদের [আরো পড়ুন]
Read More
অভিবাদন-আলেকজান্দ্র কুপ্রিন
নতুন কল্পান্তের দ্বিতীয় শতক শেষ হবে আর খানিক বাদেই, মাত্র পনেরো মিনিট বাকি। পনেরো মিনিট পরেই, মাস দিন ঘন্টা মিলিয়ে পৃথিবীতে উদযাপিত হতে চলেছে জার্মানির আত্মসমর্পণের সেই বিশেষ দিনটি। এই দিনেই জাতীয়তাবাদ আঁকড়ে থাকা শেষ রক্ষণশীল দেশটি, তার উগ্র দেশীয় সত্তা বিসর্জন দিয়ে যোগ দিয়েছিল স্বাধীন নৈরাজ্যবাদী সমিতিতে। খ্রীষ্টীয় ক্যালেন্ডারের হিসেবে সময়্টা ২৯০৬ সালের শেষের দিক।
Read More
একটি অ-সাধারণ ঘটনা – গেন্নাদি গোর
‘তুমি কে?’ জিজ্ঞেস করলাম।
বিষাদলাগা কন্ঠে ধীরে ধীরে জবাবটা এলো। ‘আসলেই কি জানি আমি কে? এটুকু বলতে পারছি যে আমি তোমারই মতো স্বাধীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন। কিন্তু এখনো নিশ্চিত জানি না আমি কে। হয়ত খুব তাড়াতাড়ি জানতে পারব। তুমি কে?’
‘আমি জ্যাক পিটারস। তোমার স্রষ্টা।’
‘কে? ঈশ্বর?’
‘তুমি ঈশ্বরের নাম জানলে কোত্থেকে? ঈশ্বর বলে কিছু নেই। তাছাড়া, আমি [আরো পড়ুন]
Read More
অদৃশ্য আলো – আলেক্সান্দর বেলিয়ায়েভ
“দেখুন, স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে যে ভিরোভাল কত বড় চিকিৎসক।”
“অবশ্যই, একজন সম্পূর্ন অন্ধ মানুষও যখন তা দেখতে পান, তখন তিনি বড় চিকিৎসক তো বটেই।”
“আপনি কীভাবে জানলেন যে আমি একেবারে অন্ধ?” পাশে বসা অপরিচিতর দিকে ফেরেন রোগীটি।
“আরে, আপনার পরিষ্কার নীল চোখ দু’টো আমায় বোকা বানাতে পারবে না। একটা পুতুলের মতই আপনারগুলোও নিষ্প্রাণ।” অপরিচিত হেসে সেই সাথে আরও বলেন [আরো পড়ুন]
Read More
একটি উপন্যাসের প্লট – ইলিয়া ভারশাভস্কি
আমি খুব খুশি ছিলাম সেদিন। আমার মত এক লম্বা অসুস্থতা যে কাটিয়ে উঠবে সে আমার মানসিক অবস্থা পুরোপুরি বুঝতে পারবে। আমাকে যে আর প্রতিবন্ধী ভাতায় থাকতে হচ্ছে না, আমার অসুস্থতাজনিত ছুটি আরো লম্বা করা হয়েছে, তাতে আমি আমার অসুস্থতার আগে শুরু করা গবেষণাপত্র শেষ করার জন্য অঢেল সময় পাবো। ফলে আমি আমার স্যানেটেরিয়ামে থাকার সময়টা পুরোটাই আরাম করতে পারব, আমায় [আরো পড়ুন]
Read More
মানুষ কি? – আইগর রশোকোভতস্কি
(দ্বাবিংশ শতাব্দীর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দর্শন শিক্ষাকক্ষের সংক্ষিপ্ত শর্টহ্যান্ড প্রতিবেদন)
প্রথম পাঠ
আবিষ্ট মানুষটির কথা
(তথ্যাবলীঃ সেই সময় সপ্তর্ষিমণ্ডলে একটি নতুন নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছে। সারা পৃথিবী সেই সংবাদে উত্তাল। যন্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, এটি সুপারনোভা প্রকৃতির নক্ষত্র নয়। বিকিরণের মাত্রা উল্লেখযোগ্য রকম কম, সাধারণ যন্ত্রপাতিতে [আরো পড়ুন]
Read More
সভ্যতার সূচনা – রোমেন ইয়ারোভ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে টাইম মেশিনের দৌড় অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্ত করা হল। অনুরাগীদের দীর্ঘ নিরলস প্রয়াসে এই সাফল্য। স্বাভাবিকভাবেই তারা ভীষণ গর্বিত। তাদের গর্ব করার যথেষ্ট কারনও আছে। এমনিতেই বহুদিন আগে, প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে টাইম মেশিনের মডেল তৈরির বিজ্ঞপ্তি বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে ‘নবীনদের বিজ্ঞান চেতনা’, [আরো পড়ুন]
Read More
দ্বিশতবর্ষজয়ন্তী – কির বুলিচেভ
দুশো বছরের এই এক্সপেরিমেন্টের আজ একটি গৌরবময় দিন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমনটা আর কখনো ঘটেনি। আয়োজন দেখে মাথা খারাপ হবার জোগাড়। এই পরীক্ষা যাঁরা আরম্ভ করেছিলেন আজ তাঁরা বরণীয় হয়ে থাকবেন।
ওঁরা অবিশ্যি আজ অ্যাসেমব্লি হলের দেওয়ালে ছবি হয়ে ঝুলছেন। ডারউইন, মেন্ডেল, প্যাভলভ, সসনোরা, জ্যাকবসন, স্যাটো।
এঁদের মধ্যে প্রথম তিনজন এই পরীক্ষার কথা কিছুই জানতেন না, আর শেষ [আরো পড়ুন]
Read More
নিরুদ্দেশের উদ্দেশ্যে – আনাতলি দ্নেপ্রভ
আমার মৃত্যুর পরে আমাকে মর্গ থেকে কিনে সোজা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল উডরপের বাড়িতে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ব্যাপারটা নেহাতই সাদামাটা। যেমন সাদামাটা আমার ঘটনাচক্রে মর্গে পৌঁছনোটা। নিউ ইয়র্কের একটা হোটেলের বাথরুমে আমি আমার হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করেছিলাম। হোটেলের ভাড়া বাকি না থাকলে বোধ হয় অত তাড়াতাড়ি আমার খোঁজ পড়ত না আর আমার লাশটাও অত শিগগিরি পাওয়া [আরো পড়ুন]
Read More
আপদ – ভ্যালেন্টিনা জুরাভ্লিয়োভা
তিন বছর আগে আমি প্রথম দেখেছিলাম ছোট্টখাট্টো মেয়েটাকে। রোগা হাত পা, ফ্যাকাশে গাল আর বড় বড় নীল চোখ নিয়ে একটা ভীতু ইঁদুরের মত জড়সড় হয়ে বসে ছিল সে। শুধু কোন পছন্দের লেখককে দেখলেই লজ্জায় রাঙা হয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে অটোগ্রাফের খাতা বাড়িয়ে ধরত মেয়েটা।
এই তিন বছরে কল্পবিজ্ঞান লেখক সঙ্ঘের একটাও মিটিঙও সে বাদ দেয়নি। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, কেউ তাকে আমাদের সঙ্ঘের মিটিঙে [আরো পড়ুন]
Read More
বিষকন্যে
পূর্ণ চন্দ্রের উথলে ওঠা আলোয়, ভেসে যাচ্ছে সমস্ত নগরী। রাত্রি বেশ গভীর হল। প্রজারা গভীর নিদ্রায় মগ্ন। সম্রাট অবশ্য মূল প্রাসাদে অনুপস্থিত। তাঁর অবস্থান প্রাসাদ সংলগ্ন প্রমোদ ভবন। আজ তাঁর মন বড় প্রফুল্ল। সংলগ্ন রাজ্যের সম্রাট যে দিন দিন সামরিক শক্তিতে পরাক্রমশালী হয়ে উঠছেন, এ সংবাদ তিনি চর মারফত বেশ কিছুদিন যাবৎ পাচ্ছিলেন। তাঁর কপালে চিন্তার [আরো পড়ুন]
Read More
অগ্নিপথ ৬ – অগ্নিবিন্দু
|| ৬ক ||
স্থানঃ ঢাকেশ্বরী রেস্টুরেন্ট, কল্যাণী
কালঃ ২০০৭
পাত্রঃ সেই যুবক ও সেই যুবতী*
“নিউক্লিয় ফিশন একটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া যেখানে পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের ভাঙন ঘটে এবং তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াস নিউট্রন এবং অপেক্ষাকৃত কম ভরবিশিষ্ট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার [আরো পড়ুন]
Read More
প্ৰেত পাহাড়ের সরোবর
১৯৩৬ সাল।।
গেল যুদ্ধের আগের কথা। আমি তখন তিব্বতে। গ্যাংটক থেকে মাইল দশেক উত্তর পূবে একটা সরকারী বাংলোয় উঠেছি। ইংরেজ সরকারের জরিপের কাজে এসেছি বটে। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য একেবারে অন্য।
ধাতুবিদ্যায় এম-এস-সি পাশ করার পর থেকেই আমার মাথায় ঝোঁক চেপেছিল হিমালয়ের দুৰ্গম পাহাড়ে-উপত্যকায় সোনার খনি খুঁজে বের করব। সোনা না হোক, তামা, টিন বা দস্তা নিশ্চয় পাব! [আরো পড়ুন]
Read More
মঙ্গলের রাণী থেকে কিন্-জা-জা’ র পথে (সোভিয়েত সাই-ফি সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত)
১৯২৪ সাল। মাত্র দুবছর আগে রক্তস্নাত গৃহযুদ্ধের শেষে এক বিরাট ভৌগোলিক পরিসরে তৈরী হয়েছে নতুন ধরনের সমাজ রাজনীতির পরীক্ষাগার: মানুষের সরকার – যাকে প্রথম দিন থেকেই পরীক্ষা দিতে হয়েছে কায়েমী, বাজারমুখী শক্তিদের বিরুদ্ধে যার সহায়ক ছিল বেশ কিছু বিদেশী রাষ্ট্র। শ্বেত আর লাল সোভিয়েতের ওই ধুন্ধুমার সংগ্রামমুখর সময়টাতে কিন্তু আবার অন্য এক ধরণের [আরো পড়ুন]
Read More
ভ্লাদিমির মিকানোভস্কির সঙ্গে কথোপকথন
ভ্লাদিমির নউমোভিচ মিকানোভস্কি একজন রাশিয়ান-ইউক্রেনিয়ান সোভিয়েত কবি, ঔপন্যাসিক, গদ্য লেখক, চিত্রনাট্যকার এবং অনুবাদক। তিনি ১৯৩১ সালের ২রা অক্টোবর ইউক্রেনের খারকভে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে খারকভ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা এবং অঙ্কে অনার্স নিয়ে পাস করেন। সেখানেই ১৯৬২ সাল অব্দি শিক্ষকতা করেন। ১৯৬২ সাল থেকে তিনি রাশিয়ায় বাস করতে শুরু [আরো পড়ুন]
Read More
সম্পাদকীয়
“বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি আধুনিক বাস্তবতার একটা নতুন সংজ্ঞা লিখে চলেছে শুধুমাত্র আমাদের প্রতিদিনের অস্তিত্বের বাহ্য পরিবর্তনগুলো দিয়ে নয় বরং আমরা নতুন করে কি ভাবব বা চিন্তা করব তার মধ্যে দিয়েও। নৌচনি ফ্যান্টাস্টিকা বা বিজ্ঞানভিত্তিক ফ্যান্টাসি এই ক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের চিন্তার মধ্যেই কি প্রথম সেই নতুন সূত্র [আরো পড়ুন]
Read More
মঙ্গলগ্রহী- আলেকজান্ডার কাজানসেভ
জিওর্জি সিদভের ফ্রন্টডেকের কেবিনে আলোচনা তখন প্রায় থিতিয়ে এসেছে। আসলে, কেউই সে রাতে ‘মার্সিয়ান ক্যাটাস্ট্রফি’ নিয়ে বিশেষ কথা বলতে চাইছিল না। জাহাজী নাবিক ও মাল্লারা, আর্কটিকের অভিযাত্রী অথবা উত্তর মেরুর আশেপাশে তেলের খোঁজে ঘুরে বেড়ানো মানুষজনকেও যেন একপ্রকার সন্ত্রস্তই দেখিয়েছে। ক্যাপ্টেনেরও একই মত ছিল – উল্কাপাতের পর উত্তর সাইবেরিয়া [আরো পড়ুন]
Read More
বৈপ্লবিক
২২৩১ খ্রীষ্টাব্দের ২২শে জুলাইয়ের কৃত্রিম কুয়াশায় ম্লান এক বিকেলে রিইউনাইটেড কম্যুনিস্ট রাশিয়ান ফেডারেশন বা RCRF এর অন্তর্গত কিরভ ওব্লাস্ট মেগাসিটির পশ্চিমপ্রান্তে একশো ছিয়ানব্বই তলার একটা মোটামুটি শস্তা রিভলভিং পাব-এ ওলগা মিকোভিচ, নাদরা কিলিচ আর দাভরন ফারুদ-এর মধ্যে দারুণ তর্ক জমে উঠেছিল। মিকোভিচ আর নাদরা জন্মসূত্রে ইউক্রেনিয়ান [আরো পড়ুন]
Read More
চিত্রক – ভ্যাচেস্লাভ রিব্যাকভ
দিগন্ত বিস্তৃত বনানী।
ঘন অন্ধকারের স্তর স্বচ্ছ কিন্তু নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছে তার দেহকে। ঐ যেন কার চোখ, আগুনের মত ঝলসে উঠল। একটা জানোয়ার? নাকি কোনো অশরীরী? ভয়ে সে জমে গেল, চেপে রাখল শ্বাসপ্রশ্বাস।
দুবার চিত্রক হেঁটে গেল জঙ্গল মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান দিয়ে। গাঢ় নীল শান্ত আকাশে তারারা জ্বল জ্বল করছে, এই ভয়ংকর জঙ্গল থেকে অনেক উঁচুতে। কিন্তু তারপরেই তাকে [আরো পড়ুন]
Read More
শান্ত গ্রহ – য়ুরি গ্লাজকভ
একটা খুব সুন্দর এবং সমৃদ্ধ গ্রহ। সম্ভবত মহাবিশ্বের সবচেয়ে সেরা গ্রহ। সবুজ রঙের পাহাড় সারির তলায় জমে আছে ধাতুর এক মহা ভান্ডার। এ গ্রহের শিরায় উপশিরায় বয়ে যাওয়া কালো তরল একে যোগাচ্ছে অপরিমেয় শক্তি। এখানকার গাছপালাকে দেখলে বোঝা যায় আক্ষরিক অর্থে মহীরুহ কাকে বলে। এদিকে ওদিকে ছুটে বেড়ায় নানান জীবজন্তু। আকাশে উড়ে বেড়ায় কত রকমের পাখি। নদীর জলে [আরো পড়ুন]
Read More
অপার্থিব মেধার সন্ধানে
ফের্মি প্যারাডক্স
পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে – এ ধারণা নিশ্চয়ই প্রাচীন – না হলে পৌরাণিক কাহিনীতে দেবতা বা রাক্ষসের আবির্ভাব হত না। স্বর্গ বা পাতাল ভিনগ্রহ বলে চিহ্নিত না হলেও মর্ত্যলোক বা আমাদের পৃথিবীতো নয়। দেবতারা কি গ্রহান্তরের মানুষ – এই সব ভাবনা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যাথা নেই – কিন্তু যখন লাল মঙ্গল গ্রহটা দেখি মনে পড়ে [আরো পড়ুন]
Read More
হেরে গেলেন ডারউইন
















Read More
ল্যাবাইঙ্কার হ্রদের দানো








































Read More
চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ


















Read More
নাট বল্টু বানাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার – নিকোলাই নোসভ

যারা ‘আনাড়ির কাণ্ডকারখানা’ পড়েছ তারা আনাড়ির মতোই তার বন্ধু টুকুনদেরও তো চেনো। তাদের সেই দুই কারিগর নাট আর বল্টু, যারা কিনা নানান নতুন জিনিস বানানোয় ওস্তাদ, একবার ঠিক করল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বানাবে।

তারা দুই ভাগে দুটো গোল গোল ধাতুর বাক্স বানাল। একটা ভাগে পাখার সঙ্গে একটা ইলেকট্রিক মোটর বসালো আর অন্যটায় লাগাল রবারের নল। দু-ভাগের মাঝে আটকে দিল একটুকরো কাপড়ের পুরু আস্তরণ, [আরো পড়ুন]
Read More
মাথা
(ঘনাদা-ভক্তদের কাছে করজোড়ে মার্জনা ভিক্ষান্তে)
–“মূর্খ! সব মূর্খ! গ্যাস ধরাতে না শিখে, গেছো বিরিয়ানি রান্না করতে? কলে পড়া ইঁদুর মারতে শিখে, ভাবছ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মোকাবিলা করবে? অ-আ-ক-খ না পড়ে গেছ চর্যাচর্য বিনিশ্চয় করতে? গরুর গাড়ি নিয়ে সুপারসনিক জেটের সঙ্গে রেস লাগাতে চাও?”
হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন! এ সংলাপ ৭২ নম্বর বনমালী নস্কর লেনের দোতলার আড্ডাঘর ছাড়া আর [আরো পড়ুন]
Read More
রেড
কনুই আর বুকে ভর দিয়ে হ্যাচের দিকে এগোয় রয়।
ঠাণ্ডা কংক্রিটের এই শ্যাফটের ভেতরের হাওয়া কত শতাব্দীর, তা কে জানে। কিন্তু ওসব ভাবার সময় ও’র কাছে ছিল না।
“সিস্টেম অনলাইন”, রিনরিনে গলাটা ও’র কানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “ওভারলোড হলে কিন্তু বিপদ আছে”।
বিপদ!
শব্দটা এর আগেও ও’র মাথায় এসেছে, তাই না?
গত জন্মে?
না, কয়েক ঘন্টা আগে?
কম্যান্ড সেন্টারে বসে, মিশনের ব্যাপারে শুনতে গিয়ে এই কথাটাই [আরো পড়ুন]
Read More
