অপারেশন ডার্ক গডেস
র্যাক্সরের ছোঁড়া লাল রঙের লেসার নাইফটা যখন বাতাস কেটে আমার দু পায়ের মাঝ দিয়ে চেয়ারটার সাথে গেঁথে গেলো, সত্যি বলছি ভেনাস-৯-এর অ্যান্ড্রয়েড নর্তকীর মুখটাই মনে পড়ে গেল। আর বোধহয় দেখাই হবে না ভেনাসের প্রাসাদ প্রতিম ড্যান্স বার আর ভার্চুয়াল ডেটিং এরেনাগুলো! লোকে বলে মরণকালে নাকি প্রিয়জনদের মুখ মনে পড়ে! অতএব বুঝতেই পারছেন, আমার জীবনে ওই বস্তুটির যথেষ্ট [আরো পড়ুন]
Read More
সবুজ পৃথিবীর জন্য
এখন সদ্য ভোর হয়েছে, ঘড়ির দিকে চেয়ে তিয়া মিলিয়ে নিল। ওর ঘুম ভেঙেছে আর একটু আগেই। ও আস্তে আস্তে ব্যালকনির দরজাটা খুলে প্রায় নিঃশব্দ পদক্ষেপে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াল।
ও রোজই সকালে একবার করে এসে দাঁড়ায় এই অদ্ভুত ব্যালকনিটায়। খুব ছোটোবেলা থেকে, একেবারে তিন-চার বছর বয়স থেকেই এরকম করে। কেন কে জানে। বাইরেটা একবার না দেখলে ওর কেন যেন খুব খালি-খালি লাগে, সারাটা [আরো পড়ুন]
Read More
জলমানুষ
পিনাকের দিকে তাকিয়ে ভারি অবাক হয় সোহম। পিনাক বরাবরই রোগাপাতলার অপোজিট। খুব ফর্সা; উচ্ছ্বল শরীর। ইদানীং মাসলম্যান টাইপ শরীরের রক্তমাংসের পিনাককে কেন যেন জল টলমল চৌবাচ্চা বলে মনে হয় ওর। শীতে যে ঝড়টা হল, তারপর থেকেই এরকম মনে হয়। ডুয়ার্সে বেড়াতে গিয়েছিল ওরা দুজনে। গিয়ে তো যাকে বলে মোহিত পিনাক। ক্লোরোফিলের গন্ধে মাতোয়ারা বনভূমি ওকে আবিষ্ট করে ফেলেছিল। [আরো পড়ুন]
Read More
ফুলস্টপ
আজকের দিনটা শুভর কাছে বেশ অন্যরকম। শুভ মানে শুভব্রত সিনহা, টরন্টোর মাউন্ট সিনাই হসপিটালের সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের আপাতত হেড। আপাতত বলার কারণ হয়ত ডক্টর পল কেলির আচমকা পদত্যাগও হতে পারে। যাই হোক, আজ রুটিন-মাফিক ভিজিট সারতে রাত প্রায় ৮টা বেজে গিয়েছিল শুভর, তাই ডক্টরস কোয়ার্টারে না গিয়ে তার চেম্বার থেকেই কলকাতার বাড়িতে ফোনটা করে স্কাইপিটা অন করতে বলল [আরো পড়ুন]
Read More
টাইম লকার
প্রফেসর পুরকায়স্থ গান শুনতে ভীষণই ভালবাসেন। একজন বৈজ্ঞানিক হলেও গানবাজনার দিকে তাঁর বরাবরই ঝোঁক ছিল। যদিও ইদানীং তিনি বেশির ভাগ সময়টাই আকণ্ঠ খেয়ে থাকেন, তবুও বৈজ্ঞানিক হিসেবে তাঁর কর্মদক্ষতা নেহাত অস্বীকারও করা যায় না। আসলে প্রথাগত পড়াশোনায় তাঁর খুব একটা আগ্রহ ছিল না, তাই ওঁর যুগান্তকারী গবেষণামূলক থিয়োরিগুলোর জন্য বিশেষ কোন সরকারী আর্থিক সাহায্যর [আরো পড়ুন]
Read More
অকাল তমসা পর্ব-১
(এইচ পি লভক্র্যাফটের শ্যাডো আউট অফ টাইম অবলম্বনে)
পর্ব – ১
আমার নাম ন্যাথানিয়েল উইনগেট পিসলি। ছ’সাত বছর আগে যদি কেউ খবরের কাগজ বা বিভিন্ন সাইকোলজিক্যাল জার্নাল নিয়মিত ঘাঁটাঘাঁটি করে থাকেন তাহলে তাঁদের কাছে আমার নামটা চেনা চেনা ঠেকতেও পারে। ১৯০৮ থেকে ১৯১৩ সাল অবধি আমার স্মৃতিবিলোপ তথা স্মৃতিবিভ্রাট নিয়ে ওই সময় কাগজে বিস্তর লেখালিখি হয়েছিল। সাথে [আরো পড়ুন]
Read More
লিমেরেন্স
আজকের এই ডিজিটাল বিশ্বের বিষে প্রচুর মানুষ আছেন যারা স্বনির্ভর ভাবে একলা। প্রেম, সত্যিকারের প্রেম হয়েছে ‘ক্ষ্যাপা খুঁজে খুঁজে ফেরে পরশপাথর’। মনের আকাশে মুষল-কাল আসে ঠিকই, কিন্তু তা ধুয়ে দিতে পারেনা অভিমানের শোণিত দাগকে। বৃষ্টি ধোয়া মুখে শুকিয়ে যাওয়া কান্না আর নদীখাত আঁকে না।
রাই এমনই একটা মেয়ে, যার জীবনের আকাশে মেঘ-ছবি এঁকে গেছে আকাশ নামের এক ছেলে। [আরো পড়ুন]
Read More
অতিমাত্রিক
“অর্ণব বাড়ি আছিস?”
“কীরে, এই অর্ণব – বাড়ি আছিস?”
ভাগ্যিস এ পাড়ায় লোকজন বিশেষ থাকে না, আর যে দু-চার ঘর ছেলেছোকরা থাকে, তারাও কাল কালীপুজোর আনন্দে কারণবারি গিলে এখন মধ্যযামে বিচরণ করছে। অনেকক্ষণ দরজা খটখট, চেঁচামেচি আর ঘণ্টি বাজানোর পর, চোখ রগড়াতে রগড়াতে দরজা খুলল অর্ণব। চোখ লাল, মুখে কাঁচা ঘুম ভেঙে যাওয়ার একরাশ বিরক্তি। তবে দরজা খুলে কিংশুকের মুখ দেখেই [আরো পড়ুন]
Read More
টিট্টিভ
কর্মে তীব্র অনীহাই শশিশেখরের কাল হইল।
সেই হেতু তিনি তাঁহার রোবট, শ্রীমান তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিকের হাতে কর্মভার সমর্পণ করিয়া, আত্মানন্দে বশীভূত হইয়া স্থির রহিলেন। তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিক বা টিটিটি, অর্থাৎ আমি নাটবল্টু ও প্লাস্টিক লোহার সমাহারমাত্র নহি। আমি পুরাদস্তুর প্রোগ্রামায়িত। আমার ভিতরে যুগ যুগ ধরিয়া শশিশেখরের বিদ্যা বুদ্ধি সব সমাহৃত।
আর শশিশেখর আপাতত [আরো পড়ুন]
Read More
টিথোনাস
গায়ের চামড়া আস্তে আস্তে কুঁচকিয়ে শিথিল হয়ে আসে। মাথার চুল পেকে সাদা হয়ে যায়। হাতের আঙুলের গাঁটগুলো ক্রমে শক্ত হয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। চোখের দৃষ্টি ক্ষীণ হয়ে আসে। দেহের হাড়গুলো ঘুণ ধরা কাঠের মত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তারপর জীবনী শক্তির অভাবে রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে লুপ্ত হয়ে যায় সাধারণ ব্যাধিও তখন মারাত্মক হয়ে পড়ে।
[আরো পড়ুন]
Read More
ভবিষ্যতের খবর
একটি কল্পবিশ্ব ইভেন্ট
ভবিষ্যতের খবর
টাইম মেশিনে চড়ে ভবিষ্যৎ থেকে সিদ্ধার্থ ঘোষ চুরি করে এনেছিলেন আগামী দিনের সংবাদপত্রের পাতা এবং সেগুলি প্রকাশিত হয়েছিল ফ্যান্টাস্টিকের পাতায়। এর সাথে ভবিষ্যতের একটি বিখ্যাত পত্রিকার কিছু পাতাও ওনার কাছে এসেছিল, যা অপ্রকাশিতই থেকে গেছিলো। সম্প্রতি আমাদের এক টিমমেম্বার আবিষ্কার করেছে সেই পাতাগুলো। কি আশ্চর্য!! ওগুলো যে কল্পবিশ্বেরই পৃষ্ঠা! আমাদের [আরো পড়ুন]
Read More
রণেন ঘোষের সঙ্গে একটি দুপুর
আকাশ বেশ কালো। বর্ষার নিচু মেঘের ছায়া গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের ওপর ঝুঁকে পড়েছে। যখন তখন বৃষ্টি নামবে। অথচ আমরা বাড়িটা খুঁজে পাচ্ছি না!
এদিকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল সুইচড অফ। ভিজিটিং কার্ডে লেখা ল্যান্ডলাইন নম্বরেও কানেকশন হচ্ছে না। কী করা যায়? তাহলে কি রণেন ঘোষের সঙ্গে দেখা হবে না? কার্ডে যে রাস্তার নাম লেখা সেখানেই চক্কর খাচ্ছি। নির্দিষ্ট নম্বরের বাড়িটা খুঁজছি।
Read More
সায়েন্স ফিকশন – সির্দ্ধাথ ঘোষের কলমে
শেষ পর্ব
বাংলা সায়েন্স ফিকশনের ঐতিহ্য
বিক্ষুব্ধ সমুদ্রকে শাসনের জন্য ভাগ্নে এইচ. বোসের (হেমেন্দ্রমোহন বসুর) তৈরি এক শিশি ‘কুন্তলীন’ তেল ঢেলে অদ্ভুত ফল পেয়েছিলেন জগদীশ্চন্দ্র বসু। একটি অনবদ্য এস.এফ কাহিনী। বাংলা ছোটগল্পের জন্য প্রতি বছর ‘কুন্তলীন’ পুরস্কার প্রবর্তনের প্রথম বর্ষেই, ১৩০৩ সালে ‘কুন্তলীন পুরস্কার’ গ্রন্থে ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’ মুদ্রিত [আরো পড়ুন]
Read More
ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য – বাংলা কল্পবিজ্ঞানের এক বিস্মৃত অধ্যয়
বাংলা ভাষায় শিশুকিশোর সাহিত্যের প্রথম যুগে বিজ্ঞান ভাবনার প্রচলন করে গিয়েছেন যে রথীমহারথীরা তাদের মধ্যে ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। জীবনের বেশীর ভাগ লেখাই তিনি লিখেছেন ছোটদের জন্য। শিশুদের মধ্যে বিজ্ঞানচেতনা বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞানের কঠিন বিষয়কে সুন্দর ও সরস করে প্রবন্ধ বা গল্পাকারে পরিবেশনায় আজও তাঁর জুড়ি মেলা ভার।
ক্ষিতীন্দ্রানারায়ণের [আরো পড়ুন]
Read More
হাঁস ছিল শজারু
“হাঁস ছিল শজারু (ব্যাকরণ মানি না)
হয়ে গেল হাঁসজারু কেমনে তা জানি না।”
ছেলেবেলায় সুকুমার রায়ের ‘খিচুড়ি’ পড়তে বসে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর ধড়ে মুড়োয় সন্ধির কথা পড়ে বা তাঁর আঁকা সেই সব খিচুড়ি জানোয়ারের অনবদ্য সব ছবি দেখে, এক জানোয়ারের সাথে অন্যের জোড়াতালি নিয়ে নানান অলীক কল্পনাবিলাস করে অবাক হয়নি এরকম বাঙালী পাঠক বা পাঠিকা পাওয়া খুব শক্ত। কিন্তু এই এক জানোয়ারের [আরো পড়ুন]
Read More
জিন মহাপুরাণ
সারাদিন ধরে একরাশ পেপার আর বই চর্চা করার পরে সূর্য ডোবার আগে আগেই মাথাটা বিগড়ে গেল। তা মাথার খুব একটা দোষ ছিলনা। একে তো জুলাই মাসের ভ্যাপসা গরম, তার উপরে প্রতিবেশীদের মধ্যে কে যেন ভর দুপুরে শখ করে মহালয়া চালিয়েছে কম্পিউটারে। তাও আবার লুপ ফর্মে। একবার শেষ হলেই আবার বেজে উঠছে “জাগো চণ্ডী”। ছাইবর্ণ আকাশের সাথে সাথে আমার মস্তিষ্ককেও ক্রমাগত ত্রিশূলে বিদ্ধ [আরো পড়ুন]
Read More
স্মৃতিপথের নির্মাল্য
বইপোকা ও সাহিত্য সরণি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নির্মাল্য চট্টোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে আমরা শোকস্তব্ধ। আদ্যন্ত বইপাগল এক তরতাজা প্রাণ এভাবে সকলকে ছেড়ে চলে যেতে পারে এ সত্যিই অকল্পনীয়। আমরা কল্পবিশ্বের তৃতীয় সংখ্যা নির্মাল্যর স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।
কিছু স্মৃতিচারণা, কিছু অনুভুতি
১) যে সময়ে বাংলা বই ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে পড়ছিল, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে [আরো পড়ুন]
Read More
সম্পাদকীয়
প্রিয় পাঠক,
মন একদম ভালো নেই আমাদের কারও। বইপোকা ও সাহিত্য সরণি ফেসবুক গ্রুপের স্রষ্টা ছাব্বিশ বছরের তরতাজা তরুণ নির্মাল্য চট্টোপাধ্যায় আর নেই। তার অকালপ্রয়াণে আমরা শোকস্তব্ধ। অনলাইনে বাংলা বইয়ের প্রচার ও প্রসারে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। লাজুক চেহারার একটা ছেলে কেমন করে যেন বাংলার লেখক ও পাঠকদের মধ্যে একটা সুদৃশ্য সেতুবন্ধনের কাজ করে গেছে। নির্মাল্য [আরো পড়ুন]
Read More
অর্থতৃষ্ণা
য়ুরোপের যুদ্ধের সময় নানা টানাপোড়েনের দরুন কলকাতায় দ্রব্যমূল্য অত্যধিক বৃদ্ধি পায়। তার উপর আবার চাকরির বাজারেও মন্দার ভাঁটা লেগে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। এই দুয়ের ধাক্কায় বহু লোকে তাদের কলকাতার পাট চুকিয়ে দেশের বাড়িতে পাড়ি দিলে, কলকাতার অনেক ভাড়াবাড়ি খালি হয়ে পড়ে। আমি আর ধূর্জটি সেই সময়ে আমাদের আমহার্স্ট স্ট্রীটের পুরনো মেসবাড়িটা [আরো পড়ুন]
Read More
প্রহরণ
১২ মার্চ , ২০১৭, কলকাতা
বাইপাসের মুখটায় একটা স্পিড ব্রেকারের সামনে লোকটা মোটরবাইকে আচমকা ব্রেক কষল। সুহানির নরম বুকটা লোকটার পিঠে লেপটে গেল। মনে মনে হাসল সুহানি। হেবি হারামি লোক তো! তবে লোকটাকে মনে ধরেছে তার। শট নেওয়ার আগেই তাকে দু হাজার টাকা অ্যাডভান্স দিয়েছে! কাজ শেষ হলে বলেছে আরও তিন হাজার টাকা দেবে। বাইকের পিছনে বসে সুহানি লোকটাকে আরও নিবিড় করে [আরো পড়ুন]
Read More
না-মানুষ
ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে বাইরের পার্কটায় এসে বসল কৃষ্ণেন্দু। পার্কটা বেশ ফাঁকা ফাঁকা, গুটিকয় স্টুডেন্ট এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে। সামার ভ্যাকেশন শেষ হ’তে এখনও প্রায় একমাস বাকি আছে। বেশিরভাগই ছুটিতে যে যার বাড়ি চলে গেছে। সেপ্টেম্বর থেকে ফল সেমিস্টার শুরু হলেই পিলপিল করে নতুন পুরনো স্টুডেন্টে ভরে যাবে সারা চত্বরটা।
টেক্সাসের [আরো পড়ুন]
Read More
পুনর্জন্ম – র্যামসে ক্যাম্পবেল
অন্ধকার! উঃ! আবার সেই শ্বাসরোধী অন্ধকার আমায় ঘিরে ধরছে! তবুও আমি নিশ্চিত কেউ আমার দিকে নজর রাখছিল! আচ্ছা, আমি কি অন্ধ হয়ে গেছি? তবে যে মনে হচ্ছিল কেউ আমার উপর ঝুঁকে পড়ে দেখছে? তা কি তবে স্বপ্ন? যেন অনেকগুলো স্বচ্ছ পর্দার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা এক মানবমূর্তি, যার মুখটা তৈরি শুধু জমাট অন্ধকার দিয়ে।
ঘন পলির মত অন্ধকার আমার চোখের উপরে জমে আছে, যেন কত জন্মের ঘুম [আরো পড়ুন]
Read More
কালচক্র
একটু দেরি হয়ে গেল মার্কের। তবে বেশি নয়, সকালে রাস্তা খালি থাকার কথা; তাহলেই মেক আপ হয়ে যাবে। অ্যাপে ম্যাপটা আরেকবার দেখে নিল সে। আরও সাতাশ কিলোমিটার, মানে প্রায় চল্লিশ মিনিট। এক ঘণ্টা লাগলেও ঠিক আছে। ওখানে গিয়ে মিঃ দত্তর সঙ্গে কাজ সাকুল্যে দশ মিনিটের, যদিও আধ ঘণ্টা ধরেছে সে। ভারতে কিছুই বলা যায়না, বরং সে যদি তাড়াতাড়ি পৌঁচে যায় এয়ারপোর্টে, অতিরিক্ত সময়টা বই হাতে কাটিয়ে দেবে সে।
Read More
ডাইস
ট্যান, রাত সোয়া আটটা
হাভেন শহরটা যেখান থেকে মরুভূমিতে মিশে গেছে, সেটা একটা চৌমাথা।
সেন্ট্রাল রোড ধরে এগোতে থাকা সবুজ গাছ আর রঙিন বাক্সবাড়ির ঝাঁক ছোটো আর গরিব হতে-হতে চৌমাথার এক প্রান্তে থেমে গেছে। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে ফিলিং স্টেশনটা। মোটেল, রেস্টুরেন্ট, আর ক্যাসিনো রয়েছে আরেক প্রান্তে।
অবশিষ্ট কোণটা কোনও এক সময় হাউজিং হয়ে ওঠার স্বপ্ন [আরো পড়ুন]
Read More
ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সম্বন্ধীয় কুইজ – ৯
(১) মেরি শেলি তাঁর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের দানবীয় চরিত্রটি সৃষ্টির সময় Elements of Chemical Philosophy নামক একটি গ্রন্থের সাহায্য নেন। এই গ্রন্থটি কোন বিখ্যাত বিজ্ঞানীর লেখা?
(২) ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয় ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের প্রথম চিত্ররূপ। ওই ছবিতে ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের সৃষ্ট দানবের ভূমিকায় কে অভিনয় করেন?
(৩) হিন্দিতেও নির্মিত হয় ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের ওপর ভিত্তি করে বানানো একটি [আরো পড়ুন]
Read More
এক ডজন কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক
(১)
দূরবীন তাক করে চৈনিক প্রাচীরে
চাঁদ থেকে দেখি… সেথা আমিও যে আছি রে!
মনে ওঠে কলরব।
কী ভাবে তা’ সম্ভব?
দুই জায়গায়ই থাকা, সময়কে না চিরে?
(২)
বেদ থেকে চুরি করা তথ্যের জোয়ারে
আইনস্টাইনের খ্যাতি। যাচ্ছে তা’ ছোঁয়া রে।
প্রমাণ রয়েছে ঢের
বেদে লেখা সুক্তের
সাঁটে বলা …ই সমান এম সি স্কোয়ারে।
(৩)
মৎস্য ধরেছি প্রভু, কী খাবেন, ল্যাজা নাকি মুড়ো?
মহাকাশ [আরো পড়ুন]
Read More
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জন্ম বৃত্তান্ত






























Read More
মেরি শেলী : সৃষ্টির ছায়ায় স্রষ্টা
আজ থেকে দু’শ বছর আগে ইউরোপের জেনেভা লেকের ধারে এক বাড়ীতে বসে এক উনিশ বছরের মেয়ে লিখে ফেলেছিল পৃথিবীর প্রথম সায়েন্স ফিকশন নভেল। দু’শ বছর ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন কোণায় মানুষ চর্চা করে এসেছে তাঁর রচনা নিয়ে। কত থিসিস পেপার, কত সিনেমা, কত ফ্যান ফিকশন, এমনকি আজও সেই গথিক সায়েন্স ফিকশনের কালো দুনিয়া আমাদের পিছু ছাড়েনি। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন দানব আজও [আরো পড়ুন]
Read More
অগ্নিপথ ৭ – অগ্নিকন্দুক
স্থানঃ হালিশহর
কালঃ ২০১৮
পাত্রঃ সুমন ও সুমনা
|| ৭ক ||
-কে তুমি?
আমার সামনে যে আছে সে আমার দিকে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে। চেয়ার উলটে পড়ে গেছে মেঝেতে। সে টেবিলের দিকে পিছন করে ঝুঁকে। আমি যদি তাকে এই মুহূর্তে আক্রমণ করি তাঁর বাধা দেওয়ার মত শক্তিও যে নেই সেটা বোঝাই যাচ্ছে। হত চকিত হওয়ার কারণ আছে। আমিও কম হত চকিত নই। কারণ আমার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে সে আমারই অতীত, [আরো পড়ুন]
Read More
সম্পাদকীয়
টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং।
সময় বদলাচ্ছে। এবং দ্রুত। ২০১৬ সালে ‘কল্পবিশ্ব’-এর আত্মপ্রকাশ। তার পর থেকে একটু একটু করে মানুষের ভালবাসা আর উৎসাহে এগিয়ে চলা। এগোতে এগোতেই বুঝতে পারা, দু’পাশের দৃশ্যও বদলাচ্ছে। কোনও যাত্রাপথেরই সবটুকুই শিশুর আঁকা সরল সিনারি হতে পারে না। তবু যখন দেখা যায়, মাঝে মাঝেই পথের পাশে ফুটে উঠছে সুন্দর, তখন বোঝা যায়, স্বপ্নের পথে হাঁটায় কোনও ভুল নেই। হতে পারে না।
Read More
ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের ‘দানব’ এর বিবর্তন
“I saw the dull yellow eye of the creature open; it breathed hard, and a convulsive motion agitated its limbs.”
লন্ডন – ১৮১৮ সালের ১লা জানুয়ারী, প্রকাশ পেল এক নামহীন রচয়িতার উপন্যাস – “Frankenstein Or, The Modern Prometheus”; যা কিনা প্রখ্যাত সায়েন্স ফিকশন লেখক Brian Aldiss এর মতে প্রথম প্রকৃত সায়েন্স ফিকশন গল্প। এই রচনা প্রকাশ পেয়েছিল খুবই ছোট প্রকাশনা Lackington, Hughes, Harding, Mavor, & Jones থেকে, মাত্র ৫০০ কপি।
গত দুই শতাব্দী ধরে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন এবং তাঁর [আরো পড়ুন]
Read More
ফ্রাঙ্কেনস্টাইন – রুপোলী পর্দার রূপকথা
ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। এই নামটির সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত, কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার এই যে, সেই দৈত্যের নাম আদৌ ফ্রাঙ্কেনস্টাইন নয় বরং যিনি তার সৃষ্টিকর্তা তার পদবীই হলো ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, ব্যারন ভিক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। জার্মানির Ingolstadt এর ইউনিভার্সিটি থেকে বের হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই তার মায়ের মৃত্যু হয়; ভিক্টর নানান কাজের মধ্যে যুক্ত [আরো পড়ুন]
Read More
প্রহর শেষের আলো
“It is a subject also of additional interest to the author that this story was begun in the majestic region where the scene is principally laid, and in society which cannot cease to be regretted. I passed the summer of 1816 in the environs of Geneva. The season was cold and rainy, and in the evenings we crowded around a blazing wood fire, and occasionally amused ourselves with some German stories of ghosts, which happened to fall into our hands. These tales excited in us a playful desire of imitation. Two other friends (a tale from the pen of one of whom would be far more acceptable to the public than anything I can ever hope to produce) and myself agreed to write each a story founded on some supernatural occurrence.
The weather, however, suddenly became serene; and my two friends left me on a journey among the Alps, and lost, in the magnificent scenes which they present, all memory of their ghostly visions. The following tale is the only one which has been completed.”
Read More
কল্পহাস্য
আপনি কি আধুনিক হতে চান? তাহলে আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন “ঘোষ এন্ড দে এন্টারপ্রাইজ” এর জম্বিচালিত হাওয়াকল…
গরমের দিনে স্ট্যান্ডফ্যান হিসাবে এর জুড়ি নেই..
প্রথমেই ক্রেতাকে একটি রানার্স জম্বি এবং ২টি লেগপিস বিনামূল্যে দেওয়া হবে, তারপরে মাত্র ১ মাস অন্তর আপনাকে জম্বি আর লেগপিস বদল করতে হবে…

এখন আপনার যদি বিরিঞ্চিবাবার সাথে যোগাযোগ থাকে তাহলে [আরো পড়ুন]
Read More
ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনঃ আধুনিক যুগের এক আলেখ্য
শুরুটা করা যাক একটি সিনেমার একটা অংশ দিয়ে। ইংল্যান্ডে ঘুরতে এসেছেন এক বাঙালী দম্পতি। করপাস ক্রিস্টী কলেজে এক অদ্ভুত ঘড়ি দেখা যায়, যা উল্টোদিকে ঘোরে আর যার মাথায় একটি দৈত্যাকার পোকা বসে যেন সময়কে খেয়ে ফেলে। সেই ঘড়ির সামনে এসে স্ত্রী অবাক হয়ে বলে ওঠেন একটি কথা – “ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন”!
মেরী শেলির লেখা ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসটির নাম পাঠক [আরো পড়ুন]
Read More
ফ্রাঙ্কেনস্টাইন– কল্পনার অন্তরালে বাস্তব বিজ্ঞান
১৮১৮ সালে প্রকাশ পায় মেরি শেলীর লেখা ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন অর মডার্ন প্রমিথিউস’ এর প্রথম খসড়া। তাঁর গল্পের প্রধান চরিত্র এক ডাক্তার, যিনি বিভিন্ন মনুষ্যদেহাংশ জুড়ে এক দানব তৈরি করেন। তারপরে সেই দানবদেহটিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠাকরেন। পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয় এক আধিভৌতিক দানব। মেরি শেলীর এই অনবদ্য কল্পনা কিন্তু শুধুই আকাশকুসুম নয়, এর পিছনে ছিল তৎকালীন বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়।
Read More
ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন আর্মি
৭ই সেপ্টেম্বর, ১৮১৮
স্থানঃ রবার্ট ওয়াল্টনের জাহাজ, যা ব্যর্থ উত্তর মেরু অভিযানের শেষে ফিরে চলেছে লন্ডনের দিকে
রবার্ট ওয়াল্টন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেই দানবের দিকে, যে নিজের সৃষ্টিকর্তার এবং তার পরিবারের নির্মম ধ্বংসের জন্য দায়ী। দানবের থেকে অদূরে শোয়ানো রয়েছে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের মরদেহ। রবার্ট ওয়াল্টন এবং ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানবের [আরো পড়ুন]
Read More
মহাকাশ কল্পবিজ্ঞান ডিটেকটিভ














































Read More
আয়নার ঠান্ডা কাচ ও অষ্টাদশীর স্বপ্ন
রাতের এই সব জনহীন রাস্তা আর আধো-অন্ধকার বাড়ির রহস্যময় জানলার দিকে তাকালে আমার মনে হয়, আজ তোমার সঙ্গে দেখা হবে। এই সব বাড়ির নির্জন কোনও কোণ কিংবা রাস্তার ধারেকাছের কোনও ঝোপ— কোথাও নিশ্চয়ই লুকিয়ে আছ তুমি। আছ কি?
নাকি তুমি আমাদের রক্তমাংসের দুনিয়া ছেড়ে পাকাপাকি ভাবে স্বপ্নেই ফিরে গেছ? যে স্বপ্নের ভিতরে তোমার জন্ম। মনে আছে, কেমন তীব্র শীত পড়েছিল সেবার? [আরো পড়ুন]
Read More
গিফ্টকার্ড
উত্তমবাবু এবং ক্লাস এইটের ভূগোল
সবুজ রঙের গোল্লাটার ভিতর একটা টেলিফোন রিসিভারের ছবি। গোল্লাটার বাইরেটাও সবুজ। শুভজিৎ তার মোবাইল ফোনের সবজে হয়ে থাকা স্ক্রীনটা মেলে ধরল উত্তম হালদারের চোখের সামনে। তারপর বুঝিয়ে বলল, “এটাকে বলে হোয়াটসঅ্যাপ। আর এর আগে নীল রঙের ইংরিজি অক্ষরের ‘এফ’ যেটা দেখালাম, ওটা হচ্ছে ফেসবুক। কী বুঝলে?”
উত্তম হালদার গোমড়া মুখে [আরো পড়ুন]
Read More
অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ২
গোল্ডিলক জোন
পরের রবিবার যথারীতি উৎসাহী ছাত্রের মতন হাজির হলাম প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়িতে। আমি আসতেই স্যার জলখাবার আনতে বললেন। খেতে খেতে কথা হতে লাগল। আজ লুচি তরকারি – স্যারের প্রিয় খাবার। আমার তো বটেই।
স্যার বললেন – “হ্যাঁ তুমি যেন সেদিন কী প্রশ্নটা করেছিলে?”
আমি বললাম – “এই যে অগুনতি কোটি কোটি তারা। তাদের কোন গ্রহে মানুষ আছে আর কোথায় নেই [আরো পড়ুন]
Read More
দ্রোণাচার্য্য
টুটুলদের ছাতের পাঁচিলে একটা ছোট্ট নীল রঙের পাখী এসে বসল। গরমকালের বিকেল। টুটুলের এবার ক্লাস নাইন হবে। এখন টুটুলের গরমের ছুটি চলছে। টুটুল একমনে একটা রবারের ফুটবলে ড্রিবল প্র্যাকটিস করছিল ছাতের একটা কোনায়। তবে তার একটা কান খাড়া ছিল চিলেকোঠার ঘরের দিকে। ওখানে বসে আড্ডা দিচ্ছিল টুটুলের ছোড়দা রন্টু আর তার আমেরিকাবাসী বন্ধু [আরো পড়ুন]
Read More
সময়ের আতঙ্কে
ছোটোছোটো বাচ্চাদের কম্পিউটার শেখায় মৃদুল। পড়াশুনা বেশিদূর করতে পারেনি সে। কোনও রকমে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছিল। ভাগ্যিস কম্পিউটারের ব্যবহারটা ভালো করে শিখে নিয়েছিল! তাইতো আজ কোনও রকমে তার হাত-খরচটা উঠে আসে।
বাচ্চাদের খুব যত্ন করে শেখায় ও। তাই এ ব্যাপারে পসারটা বেশ ভালোই জমেছে। এছাড়াও কম্পিউটার হার্ডওয়্যার-এর কাজ, মোবাইল [আরো পড়ুন]
Read More
প্রফেসর শঙ্কু ও কারপেথীয় আতঙ্ক
ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সত্যের সঙ্গে কল্পনার রঙ মিশিয়ে রচিত এই কাহিনি উৎসর্গিত হল সত্যজিৎ রায়ের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে।
৩০শে নভেম্বর, গিরিডি
আজ আমার বৈজ্ঞানিক জীবনের এক স্মরণীয় দিন। বোধহয় স্মরণীয়তমও বলা চলে। আমার বিজ্ঞানচর্চার এই সুদীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য সম্মান আর পুরষ্কার আমি পেয়েছি সারা বিশ্ব থেকে। কিন্তু আজ আমার নিজের দেশ থেকে আমাকে যে সম্মান দেওয়া [আরো পড়ুন]
Read More
কল্পবিজ্ঞান বিষয়ে সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার
প্রাক কথন: ঋদ্ধি গোস্বামী
কল্পবিজ্ঞান বিষয়ে সত্যজিৎ রায় বরাবরই গভীর আগ্রহী ছিলেন। তাঁর সাহিত্যসৃষ্টি ও অন্যান্য লেখালিখির মধ্যে তার অজস্র নিদর্শন ছড়িয়ে আছে। ৬০এর দশকের মাঝামাঝি অদ্রীশ বর্ধনের সম্পাদনায় যখন ‘আশ্চর্য!’ পত্রিকা প্রকাশিত হতে শুরু করে, তিনি ছিলেন তার প্রধান পৃষ্ঠষ্পোষক। তার পরবর্তীকালে Sci-Fi Cine Club-এর প্রদর্শনীর জন্য ছবি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও [আরো পড়ুন]
Read More
মোমের মিউজিয়াম
নিছক কৌতূহলের বশেই করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামে এসেছিল শান্তনু। কার মুখে ও শুনেছিল, করঞ্জাক্ষের এই বিচিত্র সংগ্রহশালায় মোমের তৈরি যেসব বস্তু আছে, তার তুলনা নাকি সচরাচর দেখা যায় না। কল্পনার বিভীষিকা শিল্পীর হাতে যে কী ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে—করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামই তার নিদর্শন।
তাই শান্তনু এসেছিল গুজবের মধ্যে মিথ্যার পরিমাণ কতটা তা যাচাই করে নিতে। [আরো পড়ুন]
Read More
কুইজ – ২
কল্পবিশ্বের প্রথম সংখ্যার কুইজের উত্তর কেউ সম্পূর্ণ ঠিক দিতে পারেননি। একমাত্র শ্রী সোনাল দাস সব থেকে বেশি সংখ্যক সঠিক উত্তর (১৪) দিয়েছেন।
নিয়মাবলী – প্রথম ১০ জন সম্পূর্ণ সঠিক উত্তরদাতার নাম পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।
১) মেরী শেলীর লেখা ফ্রানকেস্টাইন গল্পটির সম্পূর্ণ নাম কি ছিল ?
২) হিচহাইকারস গাইড টু গ্যালাক্সি – তে কাদের কবিতা শোনা অত্যাচারের সামিল ?
৩) কোন [আরো পড়ুন]
Read More
যখন সবাই খেতে পাবে
আগামীকাল কী কী হবে?
২০৫০ খৃষ্টাব্দ
খিদে পাচ্ছিল খুব। টাকাপয়সা নেই বিশেষ, অতএব ভালো খাবারদাবার কিনে খাবার উপায় নেই। তবে হ্যাঁ, না খেয়ে মরবো না। একটা ছোটো বালতি নিয়ে কর্পোরেশনের কলঘরে চলে গেলাম। নীল মাথাওয়ালা কলটার পাশে আমিই প্রথম। আস্তে আস্তে বস্তির আরো কয়েকজন ভিড় করে এলো।
ঠিক সাড়ে ছটা। কলটার মাথায় একটা আলো দপদপ করে উঠল। লাইনে আমিই প্রথম। কলের পাশের স্লটে [আরো পড়ুন]
Read More
এ অনন্ত চরাচরে – দ্বিতীয় পর্ব
আশ্চর্যবৎ পশ্যতি কশ্চিদেন্মাশ্চর্যবদ্ বদতি তথৈব চান্যঃ।
আসচর্যবচ্চৈনমন্যঃ শৃণোতি শ্রুত্বাপ্যেনং বেদ ন চৈব কশ্চিৎ।।২৯।।
কেহ ইহাকে আশ্চর্যবৎ কিছু বলিয়া বোধ করেন, কেহ ইহাকে আশ্চর্যবৎ কিছু বলিয়া বর্ণনা করেন, কেহ বা আশ্চর্যবৎ কিছু, এই প্রকার কথাই শুনেন। কিন্তু শুনিয়াও কেহ ইহাকে জানিতে পারেন না।
~ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা – ২য় অধ্যায়
জলের মাছ কি [আরো পড়ুন]
Read More
ভিডিও গেমের খবর
এই সংখ্যা থেকে শুরু করা হল নতুন একটি মাধ্যমের উপর আলোচনা বিভাগ। বই আর সিনেমার পরে যে মাধ্যমটি এই একবিংশ শতাব্দীতে আত্মপ্রকাশ করছে সেটি হল ভিডিও গেমস। পিউরিটানরা হইহই করে উঠবেন, যে এসব বাচ্চাদের জিনিস বলে। কিন্তু কি জানেন, ভিডিও গেম ইন্ডাস্ট্রি ২০১৫ সালে ৯১.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে? আর যারা ভিডিও গেম খেলেন তাদের গড় বয়স কিন্তু ৩২ বছর। যাই হোক কল্পবিজ্ঞান [আরো পড়ুন]
Read More
